বৃহস্পতিবার | ০২ জুলাই, ২০২০

সুনসান নীরবতা খাগড়াছড়ির পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে

প্রকাশঃ ২৬ মে, ২০২০ ০৭:৪১:৪১ | আপডেটঃ ০২ জুলাই, ২০২০ ১১:৩৯:৩২  |  ১৯১
সিএইচটি টুডে ডট কম, খাগড়াছড়ি। করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর সুনসান নীরব পাহাড়ী জেলার সবকটি পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র। সংক্রামণ প্রতিরোধে গত ১৯ মার্চ থেকে পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। তার ধারাবাহিকতায় ঈদেও খুলেনি এ দ্বার। এতে চরম দুর্ভোগ ও আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এ খাত সংশ্লিষ্টরা।

অন্যান্য বছর ঈদের আগের দিন থেকে খাগড়াছড়ি ও সাজেকসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণে ভিড় থাকলেও এ বছর তা হয়নি। সরকারের নির্দেশনা ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারির কারণে বন্ধ এসব কেন্দ্র। পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট পরিবহন, হোটেল মোটেল ও খাবার হোটেলের ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন লোকসান গুনছেন লাখ লাখ টাকা। অনেকে ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে দেউলিয়া হওয়ার পথে।

সবশেষে চরম হুমকিতে রয়েছে বেসরকারি ভাবে বিনিয়োগকারীরা। ভরা মৌসুমে ব্যবসা বন্ধ থাকায় স্টাফদের বেতন ভাতাসহ অন্যান্য খরচ চালিয়ে নিতে হচ্ছে। সরকারি সহযোগিতা না আসলে বিকাশমান এ খাতে বিনিয়োগে উদ্যোক্তারা মুখ ফিরিয়ে নিবে বলে মনে করছেন অনেকে।

মায়াবিনী লেক পরিচালনা কমিটির সভাপতি অংহ্লা মারমা জানান, বৈসাবি ও ঈদে আমরা যে পরিমাণ পর্যটক পেতাম তা পুরো বছরের অর্ধেক। করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর এ দুই মৌসুম কাজে লাগানো যায়নি। এতে করে এ কেন্দ্র চালাতে হিমশিম খেতে হবে। স্টাফদের বেতন ও অন্যান্য খরচ চালাতে হচ্ছে। ৩ মাসে ৬ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়েছে। এখন যদি সরকার আমাদের পাশে না দাঁড়ায় তাহলে ঘুরে দাঁড়ানো যাবে না।

জেলা পরিষদ পার্কের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান জানান, নিজের জমানো কিছু ও পরিচিত জনদের কাছ থেকে ধার নিয়ে এ বছরের শুরুতে দোকান দিয়েছেন। শুরুতে ব্যবসা ভাল চললেও তিন মাস বন্ধ। এখন ধারের টাকা দিতে ও সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়ার উপক্রম। একদিকে ব্যবসা বন্ধ অন্যদিকে দোকানে থাকা মালামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এক অনিশ্চয়তা অপেক্ষা করছে জানিয়ে সরকারের সহযোগিতা চান তিনিও।



পরিবহন চালক আবদুল মান্নান জানান, ৩ মাস ধরে আয় রোজগার বন্ধ। কি ভাবে কাটছে আমাদের দিন কেউ খবর নেয় না।

খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম সালাহউদ্দিন জানান, পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে যেন কেউ প্রবেশ না করে সে দিকে নজরদারি রয়েছে। পুলিশ মোতায়ন রয়েছে অনেক কেন্দ্রের প্রবেশমুখে।

খাগড়াছড়ি |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions