মঙ্গলবার | ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

লকডাউনে ভ্যান আর ফেরিতে সবজি বিক্রি করে ওরা জীবন জীবিকা নির্বাহ করছে

কৌশিক দাশ, সিএইচটি টুডে ডট কম, বান্দরবান। বান্দরবানে গত ২৫জুন থেকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে  জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চলছে লকডাউন । লকডাউনের কারণে পৌরসভা এলাকায় যে কোন ধরণের হাটবাজার বসতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা থাকায় অন্যান্য জনসাধারণের মত বসে নেই ক্ষুদ্র নৃগোষ্টি সম্প্রদায়ের নারী ও পুরুষ সবজি ও ফলমুল বিক্রেতারা।

নষ্ট হচ্ছে ২ কোটি টাকার বাঁশ, বন্ধ বনবিভাগের কার্যালয়

সিএইচটি টুডে ডট কম, খাগড়াছড়ি। করোনা ভাইরাসের কারণে খাগড়াছড়িতে কোটি টাকার লোকসানের মুখে বাঁশ ব্যবসায়ীরা। বিভাগীয় বন অফিস বন্ধ থাকায় মিলছে না বাঁশ পরিবহনের অনুমতি। এতে দুই কোটি টাকা লোকসান গুনছে ব্যবসায়ীরা। খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বাবুছড়ায় দেশের অন্যতম বৃহৎ বাঁশের বাজার।

পাহাড়ের অর্থনীতিতে ভুমিকা রাখছে ফুলের ঝাড়ু

কৌশিক দাশ, সিএইচটি টুডে ডট কম, বান্দরবান। বান্দরবানের পাহাড়ে উৎপাদিত ফুল ঝাড়ু বিক্রি করে ভাগ্য বদলের চেষ্টা করছে বান্দরবানের  দরিদ্র ও শ্রমজীবি পরিবার। এই ফুল ঝাড়ু দরিদ্র মানুষের আর্থিক সংকট মোকাবেলায় সহায়ক হয়ে উঠেছে, সাময়িকের জন্য হলেও ফুল ঝাড়ু শ্রমজীবি মানুষকে এনে দিয়েছে কর্মসংস্থান ,আর এই ফুল ঝাড়ু এখন স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে দেশের নানান প্রান্তে।

বান্দরবানে ইক্ষু আর গুড় উৎপাদন করে লাভবান হচ্ছে চাষীরা

সিএইচটি টুডে ডট কম, বান্দরবান। পার্বত্য জেলা বান্দরবানের অনেক জমিতে এখন চাষ হচ্ছে ইক্ষুর ,এক সময় যেসব জমিতে তামাক চাষ করে কৃষকেরা ক্ষতির মুখে পড়তো এখন সেই জমিতেই ইক্ষু চাষ করে ভাগ্য বদলের চেষ্টায় নেমেছে চাষীরা। শুধু ইক্ষু চাষ করেই কাজ শেষ নয় এখন ইক্ষু থেকে গুড় উৎপাদন করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে অনেক চাষী।

দুর পাহাড়ে মৌ চাষেই সুখের সংসার শরবিন্দু চাকমার

হিমেল চাকমা,বিশেষ প্রতিনিধি, রাঙামাটি। মৌমাছি চাষ করে জীবন বদলীয়েছে রাঙামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়ি ইউনিয়নের আবাসিক এলাকার শরবিন্দু চাকমা (৫০)। এক সময় কৃষি কাজই ছিল তাঁর প্রধান পেশা। বর্তমানে তার পেশা মৌ চাষী। বর্তমানে তাঁর মৌ চাক আছে পাঁচটি। এ পাঁচটি মৌ চাক থেকে তার বাৎসরিক আয় সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকা।

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১ এর নির্মাণস্থল পরিদর্শনে দুই দেশের প্রতিনিধি দল

সিএইচটি টুডে ডট কম, খাগড়াছড়ি। পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ির রামগড়ে ফেনী নদীর উপর নির্মাণাধীন ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১ এর নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেছে দুই দেশের প্রতিনিধি দল। রোববার দুপুরে সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে আসা প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল ওয়াহিদ ও ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দক্ষিণ

লামার সফল নারী উদ্যোক্তা ফাতেমা পারুলের হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে নারীরা

সিএইচটি টুডে ডট কম, বান্দরবান। বান্দরবানের লামা উপজেলার বাসিন্দা মুক্তা বেগম, রুনা আক্তার, নুর জাহান আক্তার, ফাতেমা আক্তার, জাহেদা বেগম এবং কলেজ ছাত্রী কোহিনুর আক্তারসহ আরো কয়েকশত নারী এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন, তাদের এই স্বপ্ন যাত্রার পথ পরিক্রমায় সামনে রয়েছে এক সফল নারীর গল্প। তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও বান্দরবানের লামা উপজেলার নব জাগরণ মহিলা উন্নয়ন সমিতির নির্বাহী পরিচালক ফাতেমা পারুল।

বান্দরবানে মাল্টার ভালো ফলন,খুশি চাষীরা

কৌশিক দাশ, সিএইচটি টুডে ডট কম, বান্দরবান। বান্দরবান সদর উপজেলায় ২৫ হেক্টর জমিতে বারি মাল্টা ১ জাতের মাল্টার আবাদ হয়েছে, আর এর মধ্যে ১০ হেক্টর জমিতে এবার ভালো ফলন হয়েছে। এ বছর হেক্টর প্রতি ফলন হয়েছে ৩-৪ মেট্রিক টন।

২৫ দিন পর রাঙামাটির কর্নফুলী পেপার মিলে কাগজ উৎপাদন শুরু

সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছে ও রাঙামাটির কর্নফুলী পেপার মিলে। ফলে শুরু হয়েছে কাগজ উৎপাদন। বৃহস্পতিবার ভোর ৫ টা থেকে কাগজ উৎপাদন শুরু হয়।  কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএম এ কাদের জানান, গ্যাস সরবরাহ করায় মিলের এক নম্বর মেশিন দিয়ে কাগজ উৎপাদন হচ্ছে। মিলের তিনটি মেশিনের মধ্যে এক নম্বর মেশিন দিয়ে হচ্ছে কাগজ উৎপাদন।

নানা সংকটে কর্ণফুলী পেপার মিল, গ্যাস সংযোগ বন্ধ করায় কাগজ উৎপাদন বন্ধ

সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। এক সময় কাগজ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত ছিল দক্ষিন এশিয়ার বৃহত্তম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিল, দেশের কাগজের বেশীর ভাগ চাহিদা এখান থেকে মেটানো হতো, ৯০ দশকের পর থেকে মিলটি লোকসান গুনতে শুরু করে, এরপরও মিলটি নানা সংকটের মাঝে কাগজ উৎপাদন করত। কিন্তু গত ৪ আগষ্ট থেকে কর্ণফুলী গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশেন কোম্পানী  গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিলে কাগজ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে ঋণ মওকুফ ও সরকারি সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির দাবী

কৌশিক দাশ, সিএইচটি টুডে ডট কম, বান্দরবান। গেল মাসে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ী ঢলে বান্দরবানের কৃষিখাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকেরা অনেকেই বেশি লাভের আশায় বাগান থেকে বিক্রি করেনি অনেক ফল,কিন্তু টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় নষ্ট হয়ে গেছে জেলার বেশিরভাগ আবাদি জমি,আর এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে এখন কষ্টে দিনযাপন করছে জেলার কৃষকেরা।

FIND US ON FACEBOOK
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions