বুধবার | ১২ অগাস্ট, ২০২০

বান্দরবানে ৬জন নিহত হওয়ার ঘটনায় এখনো হয়নি মামলা, গ্রেফতার নেই কেউ

প্রকাশঃ ০৮ জুলাই, ২০২০ ০২:৩৪:২৬ | আপডেটঃ ১১ অগাস্ট, ২০২০ ০৯:১৭:৫৭  |  ৪৩৯
সিএইচটি টুডে ডট কম, বান্দরবান। ৭জুলাই (মঙ্গলবার) সকালে বান্দরবানের রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এম এন লারমা ) গ্রুপের ৬জনকে গুলি হত্যা ও ৩ জনকে গুলি করে আহত করার পর এখন বাঘমারাসহ আশেপাশের এলাকায় বিরাজ করছে আতংক।

এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এম এন লারমা ) গ্রুপের (১) কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বিমল কান্তি চাকমা ( প্রজিৎ) ৬৮, (২) খাগড়াছড়ি উপদেষ্টা কমিটির সদস্য চিং থোয়াইঅং মারমা ডেভিড ৫৬ ,(৩) বান্দরবান জেলা কমিটির সভাপতি রতন তঞ্চংগ্যা ৫০, (৪)  পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির খাগড়াছড়ির সদস্য রবীন্দ্র চাকমা (মিলন) ৫০, (৫) পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির খাগড়াছড়ির সদস্য রিপন ত্রিপুরা জয় ৩৫, ও পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির খাগড়াছড়ির সদস্য জ্ঞান ত্রিপুরা (দিপেন) ৩২ । আহতরা হলেন: নিরু চাকমা,বিদ্যুৎ ত্রিপুরা,প্রু বা চিং মারমা।

এদিকে ঘটনার পর ৭জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে বান্দরবান সদর হাসপাতালের মর্গে নিহত ৬ জনের লাশ আনা হয়েছে এবং আহত ৩জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। করোনার এই সময়ে ও আঞ্চলিক দলগুলোর হঠাৎ করে তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় ঘটনার পরপরই বাঘমারাসহ আশেপাশের এলাকায় বিরাজ করছে আতংক।

ঘটনার একদিন পেরিয়ে গেলে ও এখনো এই ঘটনায় কোন মামলা হয়নি এবং কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। তবে পুুলিশ বলছে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে এবং জড়িতদের খুঁজতে পুলিশ প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো:শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন,৭জুলাই (মঙ্গলবার) সকালে বান্দরবানের রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহতদের নিয়ে আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে ,তবে মামলা এখনো হয়নি ।

এদিকে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেছে বাঘমারা এলাকায় জনসাধারণ ও নিহতের স্বজনেরা।

বান্দরবান |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions