শনিবার | ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
রাঙামাটি

দলের দু:সময়ের তৃণমুল নেতা কর্মীদের স্বার্থে কাজ করতে চান হাজী মুছা মাতব্বর

প্রকাশঃ ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০১:৪৯:১০ | আপডেটঃ ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৬:১৩:৩১  |  ৭৯৯
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান সাধারন সম্পাদক ও আগামী ২৫ নভেম্বরের কাউন্সিলে আবারো সাধারন সম্পাদক পদ প্রার্থী হাজী মুছা মাতব্বর বলেছেন, ২০১২ সনের ডিসেম্বর মাসে আওয়ামীলীগের কাউন্সিল হলে অনুমোদিত হয়েছে মুলত: ২০১৪ সনের ৫ অক্টোবর। তিনি দায়িত্ব নেবার পর দল গোছানোসহ  অনেক কাজ করেছেন, দলের দু:সময়ে বঞ্চিত ও অবহেলিত নেতা কর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন, হয়ত সম্পুর্ণভাবে থাকতে পারেননি, আগামী কাউন্সিলে যদি আবারো সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন তাহলে দলের অবহেলিত  তৃণমুল নেতা কর্মীদের পাশে থেকে দলকে আরো সুসংগঠিত করবেন।

পাহাড়ের জনপ্রিয় অনলাইন সিএইচটি টুডে ডট কম এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মুছা মাতব্বর আরো বলেন, তিনি দলের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর পৌরসভা নির্বাচনে রাঙামাটির দুটি পৌরসভার মেয়র পদ বিএনপি জামাত জোটের হাত থেকে উদ্ধার করে রাঙামাটি ও বাঘাইছড়ি আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে বিজয়ী করেছেন। এক সময় ইউনিয়ন পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান পদগুলো  সব আঞ্চলিক দলের কাছে ছিল, কিন্তু গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫০টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৬টিতে আওয়ামীলীগ প্রার্থী জয়ী হয়েছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১০টি উপজেলার মধ্যে আগে ২টি ছিল আওয়ামীলীগের দখলে, এবার উপজেলা নির্বাচনে ১০টির মধ্যে আওয়ামীলীগ পেয়েছে ৫টি এরমধ্যে আওয়ামীলীগের সমর্থনে ২টি আঞ্চলিক দলের প্রার্থী বিজয় হয়েছে, মোট ৭টি চেয়ারম্যান পদ আওয়ামীলীগের দখলে বলা যায়। ২০১৪ সনে জনগণ অবৈধ অস্ত্রের মুখে ভোট দিতে না পারলেও সর্বশেষ ২০১৮ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেতা কর্মীসহ জনগনের অকুন্ঠ সমর্থনে আঞ্চলিক দলগুলোর বাঁধা বিপত্তির মুখে আমরা আমাদের প্রিয় নেতা জননেতা দীপংকর তালুকদারকে সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী লাভ করাতে সক্ষম হই।

মুছা মাতব্বর আরো বলেন, ২০১৫ সনে জেলা পরিষদের সদস্য হওয়ার পর থেকে রাঙামাটির আনাচে কানাচে আমরা উন্নয়ন ছড়িয়ে দিয়েছি, আমরা রাস্তা ঘাট, স্কুল কলেজ, মসজিদ, মন্দিরসহ অনেক উন্নয়ন কাজ জননেতা দীপংকর তালুকদারের নেতৃত্বে করেছি।  


তিনি আরো বলেন, সরকারের উন্নয়ন যে মহাসড়কে উঠেছে, আমরা পার্বত্যবাসী সেই উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে থাকব না, আমরা সেই উন্নয়নের মহাসড়কে উঠব। ১৯৯৭ সনে শান্তি চুক্তির পর পাহাড়ে যে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছে, সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা ও দলের নেতা কর্মীদের পাশে থাকার জন্য আমি আবারো সাধারন সম্পাদক হবো বলে বিশ্বাস করি।

প্রসঙ্গত: হাজী মুছা মাতব্বর রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার এলাকার ব্যবসায়ী মাতব্বর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮৪ সনে রাঙামাটি সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক, ৮৬-৮৭ সনে জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি এবং ১৯৮৯ -৯০ সনে জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ১৯৯৮ সনে এবং ২০০২ সনের কাউন্সিলে জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য এবং ২০১২ সনের ৮ ডিসেম্বর আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি ২০০৯ সনের ২২ জানুয়ারির উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ২০১৫ সনের ২৫ মার্চ তারিখ হতে রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হাজী মুছা মাতব্বর শাহ উচ্চ বিদ্যালয়, শহীদ আবদুল আলী একাডেমী, রাঙামাটি সিনিয়র মাদ্রাসা, গাউছিয়া কমিটি, রাইজিং ষ্টার ক্লাবের সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।


পাহাড়ের রাজনীতি |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions