মঙ্গলবার | ১২ নভেম্বর, ২০১৯

বান্দরবানে তঞ্চঙ্গ্যা জনগোষ্ঠীর নবান্ন উৎসব অনুষ্ঠিত

প্রকাশঃ ০৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০৬:০৭:৪৩ | আপডেটঃ ১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০২:৩১:০৮  |  ২৭৭
সিএইচটি টুডে ডট কম, বান্দরবান। মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আর দেবতা ও লক্ষী পূজার মধ্য দিয়ে বান্দরবানে নবান্ন উৎসব (নোয়া ভাত খানা) পালন করেছে তঞ্চঙ্গ্যা জনগোষ্ঠী। শুক্রবার সকালে বান্দরবান সদরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর আয়োজনে রেইছা সিনিয়র পাড়া এলাকায় এই নবান্ন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

বান্দরবার পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সিং ইয়ং ¤্রাের সভাপতিত্বের নবান্ন উৎসব (নোয়া ভাত খানা) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ শফিউল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস.এম মোবাশ্বের হোসেন, পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষীপদ দাশ, সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর, সদস্য কাঞ্চন জয় তঞ্চঙ্গ্যা, সিভিল সার্জন ডাঃ অংসুই প্রু, বান্দরবান ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ইনস্টিটিউট এর পরিচালক মংনুচিং মার্মা, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর, ভাইস চেয়ারম্যান রাজুমং মারমা, য়ইসা প্রু মারমা সহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জুম ক্ষেতে লক্ষী পূজা ও দেবতার উদ্দেশ্যে জুমের ফসল ও মুরগী উৎসর্গ করেন পূজারীরা। আগামী বছর জুমের ফলন যেন আরো ভালো হয় সেই উদ্দেশ্যে এই পূজা।
পূজা শেষে জুম চাষের সরঞ্জামাদি ও জুমের নতুন ফসল প্রদর্শনের পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় তঞ্চঙ্গ্যা শিশুদের আনিলম নৃত্য।  
পরে মিত্তিনি পূজা, নবান্ন পরিবেশন ও নতুন ধানের তৈরি পিঠা পরিবেশন করা হয় আগত অতিথি ও উপস্থিত সকলের মাঝে। আলোচনা সভা শেষে তঞ্চঙ্গ্যা নৃত্য প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করেন পার্বত্য মন্ত্রী।
অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব জানুয়ারি পর্যন্ত পাহাড়ের এক এক জনগোষ্ঠী ভিন্ন ভিন্ন সময়ে এই নবান্ন উৎসব করে থাকেন।

এসময় বক্তব্যে রাখতে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। এসময় পার্বত্য মন্ত্রী আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে অধিকাংশ স্কুল আবাসিক স্কুলে রূপান্তরিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতি মধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন। ইউএনডিপি’র যেসব প্র্রাইমারী স্কুল সরকারিকরণ করা হয়নি সে সকল স্কুলকে সরকারিকরন করা হয়েছে। এই পার্বত্য অঞ্চলের কলেজ গুলোকে ও সরকারিকরন করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।


বান্দরবান |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions