বুধবার | ১৬ অক্টোবর, ২০১৯

রাঙামাটিতে মাশরুম চাষ উদ্যেক্তাদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশঃ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৪:২২:২১ | আপডেটঃ ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:৪৬:০৮  |  ২০৫
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। যুগোপযোগী পরিবেশ ও আবহাওয়ার কারণে মাশরুম চাষে রাঙামাটিতে বিপুল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ওষুধি গুণসম্পন্ন এ খাবারটির চাহিদাও বাড়ছে ব্যাপকহারে। অথচ এখনও চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কম। উৎপাদন বাড়ানো গেলে অর্থনৈতিক সাফল্য নিশ্চিত। ফলে রাঙামাটিতে মাশরুম চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেকে। এরই মধ্যে মাশরুম চাষে মাসে তিন লাখ টাকা আয় করে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন, রাঙামাটির শ্রেষ্ট চাষী শ্যামল চাকমা।

সোমবার রাঙামাটিতে মাশরুম চাষে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের নিয়ে আয়োজিত দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আয়োজক ও উদ্যোক্তারা এসব তথ্য জানান। শহরের আসামবস্তির মাশরুম উপকেন্দ্রে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালাটির আয়োজন করে, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আশা’। কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন ৩০ মাশরুম উদ্যোক্তা। আশা’র রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার জৈষ্ঠ ব্যবস্থাপক মো. শমশের আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ।

এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঢকা সাভারের মাশরুম ইন্সটিটিউটের উপ-পরিচালক ড. নিরদ চন্দ্র সরকার, রাঙামাটি হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক মো. আবদুল জব্বার, রাঙামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, আশার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পরিচালক (কর্মসূচি) মো. হামিদুল ইসলাম, উপ-পরিচালক মো. খুরশেদ আলম ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মো. জাহিদ হোসেন খান প্রমুখ। কর্মশালা পরিচালনায় ছিলেন, আশার রাঙামাটি সদরের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার শ্রীনাল বড়–য়া।

উদ্যোক্তারা জানান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশা ২০১৫ সাল থেকে মাশরুম চাষে উদ্যোক্তাদের সহায়তা দিচ্ছে। রাঙামাটিতে স্থানীয় মাশরুম উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে প্রশিক্ষণ, উৎপাদন, বাজারজাত, ঋণ প্রদানসহ বাণিজ্যিকভাবে মাশরুমের স্পন সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে করে অনেকে বেকারত্ব দূরীকরণ, আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতা অর্জন করে হচ্ছেন স্বাবলম্বী।    

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ বলেন, রাঙামাটিতে মাশরুম চাষের সরকারি প্রকল্প চালু ছিল। বরাদ্দ না পাওয়ায় মাঝখানে স্থবির হয়ে পড়ে প্রকল্পটি। এটি আবার চালু হয়েছে। মাশরুম চাষে স্বল্প পূজিতে লাভ প্রচুর। মাশরুমের চাহিদাও অনেক। ফলে উৎপাদন করা গেলে বাজারজাত নিশ্চিত। আত্মকর্মস্থান ও স্বাবলম্বী অর্জনে মাশরুম চাষের সম্ভাবনা ব্যাপক। তাই মাশরুম চাষে প্রশিক্ষণ নিয়ে উদ্যোক্তা হলে ঋণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হবে।

এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions